
হোয়াইট হাউসের থেকে জানানো হয়েছে যে, ৫০টিরও বেশি দেশ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ওই দেশগুলি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নতুন আরোপিত শুল্কের বিষয়ে আলোচনা করতে চাইছে। বাংলাদেশও একটা খসড়া প্রস্তুত করেছে এবং চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি ঘোষণার পর থেকে আলোচনার চেষ্টা শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক কাউন্সিলের প্রধান কেভিন হ্যাসেট জানিয়েছেন, ৫০টিরও বেশি দেশ শুল্ক নিয়ে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। প্রসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। বিশেষ করে ‘পাল্টা শুল্কের’ প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে সেই সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন হোয়াইট হাউসের। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কাউন্সিলের প্রধান দাবি করেন, ওই দেশগুলি ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং শুল্ক নিয়ে আলোচনা করতে চাইছে। ওই দেশগুলি বুঝতে পেরেছে যে তারা বেশি কর নিচ্ছে, তাই তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
রবিবার (৬ এপ্রিল) ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আমেরিকার পণ্যের উপর থেকে সব শুল্ক প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছে ভিয়েতনাম। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তাইওয়ানও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা চিন্তা ভাবনা করেছে। তারা চাইছে নিজেদের দেশে মার্কিন সংস্থাগুলি আরও বেশি বিনিয়োগ করুক। কোন কোন দেশ শুল্কের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কের বিষয়ে যোগাযোগ করেছে, তা অবশ্য খোলসা করেননি হোয়াইট হাউস।
এ দিকে শনিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর ঢাকার আগারগাঁওয়ে বিডা কার্যালয়ে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে চিঠি লেখা হবে এবং তার খসড়াও সেই বৈঠকে প্রণয়ন করা হয়। এই বিষয়ে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ বিষয়ে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে।
