
গাজায় একটি স্কুলে নৃশংস হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে স্কুলটিতে আশ্রয় নেয়া অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়েছেন, এদের মধ্যে ১৮ জনই শিশু। এ নৃশংস বোমা হামলায় ব্যপক প্রাণহানির পর কোনো প্রমাণ হাজির না করে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে, ওই স্কুলে ‘ হামাস সন্ত্রাসীরা’ অবস্থান করছিল।
ফিলিস্তিনের উত্তর গাজায় অবস্থিত ওই স্কুলের নাম ফাহমি আল–জারজাউই স্কুল। আজ সোমবার (২৬ মে) হামলায় স্কুলটির প্রায় অর্ধেক ধ্বংস হয়ে যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন অনেকে। গাজার জনসংযোগ কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮টি শিশু রয়েছে। এ হামলা স্পষ্টভাবে ‘জাতিগত নিধন ও গণহত্যার’ অংশ। গাজায় প্রায় ৬০০ দিন ধরে এমন অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরাইলি বাহিনী আবারও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। উপত্যকাটির একটি স্কুলে বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। স্কুলটি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দুজন রেড ক্রস কর্মী, এক সাংবাদিক এবং একাধিক শিশু।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েলের ১৯ মাসের হামলায় এখন পর্যন্ত যত ফিলিস্তিনি নিহত হয়, তাদের মধ্যে ৩১ শতাংশই শিশু। এ হিসাব শুধু শনাক্তকৃত মৃতদের নিয়ে, বহু মৃত্যুর তথ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
জাতিসংঘের এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল বারবার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে শিশুদের ওপর সহিংসতা বেড়েছে, শিশু মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
