
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস বিক্ষোভে এবার মেরিন বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হচ্ছে। সোমবার (৯ জুন) মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাড়তি ন্যাশনাল গার্ড সেখানে এসে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত সাময়িকভাবে সাতশ মেরিন বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
এই দিকে, অভিবাসীদের বিক্ষোভের চতুর্থ দিনে মেরিন মোতায়েনের ঘোষণা আসে। একইদিন রাতে দেখা যায়, লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের কেন্দ্রস্থলের একটি ফেডারেল বন্দিশিবিরের বাইরে জড়ো হওয়া শত শত বিক্ষোভকারীকে ছত্রভঙ্গ করতে শুরু করে পুলিশ। এই বন্দিশিবিরে অভিবাসীদের আটক রাখা হয়েছিল।
এর আগে টাস্ক ফোর্স ৫১-এর আওতায় লস এঞ্জেলসে প্রায় ২ হাজার ১০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য ও ৭০০ মেরিন সেনা মোতায়েন করা হয়। সামরিক বাহিনী জানায়, এসব সেনা উত্তেজনা প্রশমন, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং বলপ্রয়োগের নিয়ম নিয়ে প্রশিক্ষিত।
ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি একে ‘অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করে বলেন, ‘মেরিন সেনারা আমাদের বীর। কিন্তু একজন স্বৈরতান্ত্রিক প্রেসিডেন্টের বাস্তবতা বিবর্জিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তাদের জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো যুক্তরাষ্ট্রের মূল আদর্শের পরিপন্থী।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, আপাতত বিদ্রোহ আইন বা ইনসারেকশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করবে না ট্রাম্প প্রশাসন। ওই আইন ব্যবহার করলে বেসামরিক আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করতে পারতো। পেন্টাগন জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত দু হাজার ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মোতায়েন করা আছে। এই সংখ্যা দ্বিগুণ করা হচ্ছে।
এদিকে সোমবার এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, সহিংসতার বিস্তার রোধ করতে শক্তি প্রয়োগের মাত্রা বৃদ্ধি ছাড়া তার হাতে কোনও বিকল্প নেই।
