
সম্প্রতি এক বক্তব্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনকে ‘রাশিয়ার অংশ’ বলে মন্তব্য করেছেন, যা ইউরোপসহ পশ্চিমা দেশগুলোকে নতুন করে উদ্বেগে ফেলেছে। ইউক্রেন এই মন্তব্যকে হুমকি হিসেবে দেখছে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে গত ২০ জুন সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে পুতিন বলেন, “আমি বহুবার বলেছি, রুশ ও ইউক্রেনীয় জনগণ এক জাতি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে পুরো ইউক্রেনই আমাদের।” একইসঙ্গে তিনি জানান, “যেখানে রুশ সেনারা পা রাখে, তা আমাদের অঞ্চল।” তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, রাশিয়া ইউক্রেনের পুরো ভূখণ্ডকে নিজের দাবি করছে এবং আগ্রাসন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা করছে।
গত ২৪-২৫ জুন ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুট হেগে অনুষ্ঠিত জোটের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের আগে বলেন, ‘এ মুহূর্তে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডা এ বছরের জন্য ইউক্রেনকে ৩৫ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে’।
গত বছর পুরো বছরে এটি ছিল ৫০ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। এখন অর্ধেক বছর শেষ হওয়ার আগেই তা ৩৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি ইতিমধ্যেই ৪০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি।
ইউরোপের এই বাড়তি সহায়তা ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সামরিক সাহায্য না আসার ঘাটতি কিছুটা পূরণ করেছে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি টেলিগ্রামে এক পোস্টে বলেন, পুতিন এবার সম্পূর্ণ খোলামেলাভাবে বলেছেন তিনি শুধু ইউক্রেনই নয়, বেলারুশ, বাল্টিক রাষ্ট্র, মলদোভা, ককেশাস এবং কাজাখস্তানের দিকেও নজর দিয়েছেন।
