ইরান সরকার বলছে, তারা বিদেশি মদদপুষ্ট বিক্ষোভ ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ এনেছে। এজন্য দ্রুতই ইন্টারনেট চালু হয়ে যাবে।সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বরাত দিয়ে আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশজুড়ে বিক্ষোভে রক্তক্ষয়ী দমন-পীড়নের পর এখন ‘পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে’। তিনি বলেন, বিক্ষোভগুলো ‘সহিংস ও রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের জন্য একটি অজুহাত তৈরি করা যায়’।
সরকারের সমর্থনে রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ
এদিকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পাল্টা ইরানের বিভিন্ন শহরে সরকারপন্থি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আল জাজিরা জানায়, গতকাল রাজধানী তেহরানে এমন কর্মসূচি পালনের আহ্বানের পর সরকারপন্থি এই বিক্ষোভে লাখো মানুষ অংশ নিচ্ছেন।
সরকারপন্থিদের সমাবেশস্থল হিসেবে পরিচিত এনগালাবি স্কয়ারে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরেকটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা এসব বিক্ষোভে অংশ নিতে জনগণকে আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানকে জবাব দিতে ‘কঠোর উপায়’ বিবেচনা করছেন ট্রাম্প
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কঠোর অভিযানের জবাবে ওয়াশিংটন ‘শক্তিশালী উপায়গুলো’ বিবেচনা করছে, যার মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপও রয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) গভীর রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। সামরিক বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে, আর আমরা কিছু অত্যন্ত শক্তিশালী বিকল্প বিবেচনা করছি।
