
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি থেকে গ্রেহাউন্ড বাসে নেমে ভেনেজুয়েলার দুই বন্ধু নেস্তোর ও হোসে প্ল্যাটসবার্গের এক সানোকো পেট্রল স্টেশনে গিয়ে কানাডা যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ট্যাক্সির খোঁজ করছিলেন। শীতল আবহাওয়ায় পাতলা জ্যাকেট পরা, গ্লাভস বা টুপি ছাড়াই দাঁড়িয়ে থাকা নেস্তোরের হাত কাঁপছিল। আবহাওয়া ছিল ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পরের দিনগুলোতে তা আরও কমে মাইনাস ১১ থেকে ১৭ ডিগ্রিতে নেমে যাবে।
এদিকে প্ল্যাটসবার্গে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে কেউ কেউ বৈধ বর্ডার ক্রসিংয়ে গিয়ে ঢোকার চেষ্টা করছেন, আবার অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনের মধ্য দিয়ে হাঁটার পরিকল্পনা করছেন, যেমন নেস্তোর ও হোসে। ট্যাক্সি না পেয়ে তারা হেঁটেই বিপজ্জনক পথে পাড়ি জমাতে উদ্যত হয়। তাদের উদ্দেশ্য: কানাডায় প্রবেশ করে আশ্রয় চাওয়া।
উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে কানাডামুখী অভিবাসীর ঢল নেমেছিল। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। কানাডা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে—নতুন প্রসেসিং সেন্টার খোলা হয়েছে কুইবেকে এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই কঠোর অভিবাসনপ্রবাহ দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, নিরাপত্তা, ও মানবাধিকার প্রশ্নে এক জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি করছে উত্তর আমেরিকার অভিবাসী প্রত্যাশিত জনগোষ্ঠীকে।
