মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে হামলার শিকার হয়েছে কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে সেখানে দু’বার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ওই গ্যাসক্ষেত্রে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। এ ঘটনার জেরে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে ভারত উপমহাদেশ।
কেননা, গ্যাস সংকটের কারণে এই অঞ্চলের দেশগুলোতে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ দেশগুলোর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির এক বড় অংশই আসে কাতার থেকে। কাতারের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত ও সেখান থেকে রপতানি করা হয়।
জ্বালানি খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ পায় কাতার থেকে। অন্যদিকে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল’-এর তথ্যানুযায়ী, ভারত তাদের এলএনজি চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি কাতার থেকে সংগ্রহ করে।
রাস লাফান স্থাপনার পরিচালক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকে এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কোম্পানিটির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হামলা-পাল্টা হামলায় জ্বলছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য।
