ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অনুষ্ঠিতব্য জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জামায়াতের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন, সনদে স্বাক্ষর করার বিষয়েও দলটি ইতিবাচক। এছাড়াও জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ অভিন্ন দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সাতটি দলের বৈঠকেও সনদে স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ সাতটি দলের মধ্যে এখনো কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্তও জামায়াতের নেতারা সনদের বিভিন্ন অনিষ্পন্ন বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা করছেন বলে জানা গেছে, ফলে চূড়ান্তভাবে সনদে স্বাক্ষর করবেন কি না, তা কোনো নেতা নিশ্চিত করেননি।
জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে জুলাই সনদ, সনদে স্বাক্ষর এবং গণভোট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দলের নীতিনির্ধারণী নেতারা মনে করেন, একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন হলে পুরো নির্বাচন এলোমেলো হয়ে যাবে। তাই গণভোট আলাদা হওয়াটা যুক্তিসংগত মনে করেন তারা, সে ক্ষেত্রে নভেম্বরে গণভোট হতে পারে।
এদিকে, রাতে জামায়াতে ইসলামীসহ সাতটি দল জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সামনে রেখে বৈঠক করেছে এবং সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যাওয়া এবং সনদে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে দলগুলো সনদে স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত নিলেও অভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘আমরা শুরু থেকে সংস্কার চেয়ে আসছি, সংলাপে অংশ নিয়েছি। সনদেও স্বাক্ষর করব। না করলে ওরা বিভ্রান্তি ছড়াবে যে আমরা সংস্কার চাই না, নির্বাচন চাই না। এ সুযোগ দিতে চাই না।’
