কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ আদায়সহ প্রতারণার বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছে জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস। তারই প্রেক্ষাপটে জর্ডানে কোনো কোম্পানির ভিসায় যেতে আর্থিক লেনদেন করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে দূতাবাস।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ মার্চ) আম্মানের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সবার স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি হতে রক্ষায় বেশ কিছু বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
ভুয়া নিয়োগপত্র ও জাল কাগজপত্র বিষয়ে সতর্কতা : দূতাবাস সাম্প্রতিক সময়ে অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছে যে, একাধিক চক্র জর্ডানের কয়েকটি স্বনামধন্য নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান/কোম্পানির নাম, লেটারহেড, সরকারি সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র/ভিসা সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রস্তুত ও এগুলো দেখিয়ে জর্ডান আগমনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে।
শূন্য অভিবাসন ব্যয় : জর্ডানে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, বিমান টিকিটসহ আনুষঙ্গিক খরচ সংশ্লিষ্ট জর্ডানীয় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বহন করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তি, দালাল বা রিক্রুটমেন্ট এজেন্ট যদি ওয়ার্ক ভিসা বা নিয়োগপত্র প্রদানের বিনিময়ে কোনোরূপ অর্থ দাবি করেন, তা নিঃসন্দেহে প্রতারণামূলক কার্যক্রম। এরূপ ক্ষেত্রে কোনো অর্থ প্রদান থেকে বিরত থাকুন।
ফ্রি ভিসার প্রলোভন : প্রলোভনে পড়ে তথাকথিত ফ্রি ভিসায় জর্ডানে এলে বৈধ কর্মসংস্থান পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। জর্ডানে হাতেগোনা কয়েকটি নির্দিষ্ট পেশায় বিদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হয়। ওয়ার্ক পারমিট করা না হলে এদেশে আসার মাত্র ১৫ দিন পরেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অবৈধ অভিবাসী হিসেবে গণ্য হবেন এবং দেশে ফেরত পাঠানোসহ গ্রেপ্তার ও শাস্তির সম্মুখীন হতে পারেন।
