
বুধবার (২১ মে) গাজা শহর, নুসাইরাত এবং মাগাজি ক্যাম্পসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের বিমান ও ট্যাঙ্ক হামলায় এই প্রাণহানি ঘটে। এদিকে মঙ্গলবার ইসরায়েল যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় কয়েক ডজন ত্রাণের ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিলেও, বাস্তবে এই সাহায্য এখনো প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।
ইসরায়েল দাবি করেছে যে তারা ১১ সপ্তাহের অবরোধের পর ৯৩ টি ত্রাণ ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি ট্রাক গাজা প্রবেশ করতে পেরেছে। এই পরিস্থিতিকে গাজায় সাহায্য বিতরণে কাঠামোগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ত্রাণ সংস্থাগুলো বলছে, এই সহায়তা ‘ব্যাপক কম’।
এমএসএফ (ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স)-এর একজন সমন্বয়কারী বলেছেন, মাসের পর মাস বিমান ও স্থলপথে অবরোধের পর সামান্য কিছু ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া এক ভুল বার্তা দিচ্ছে— যেন সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গেছে, অথচ বাস্তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
এদিকে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডা ইসরায়েলের প্রতি কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পোপ ফ্রান্সিস বুধবার (২১ মে) এক ভাষণে মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত এবং শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের জন্য এটি জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
