
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অভিষেক ঘিরে যে তহবিল গঠন করা হয়েছিল, তাতে শরিক হয়েছিলেন সিলিকন ভ্যালির অনেক শীর্ষ নির্বাহী। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারের তহবিল বাড়াতেও ভূমিকা রেখেছিলেন এসব শীর্ষ নির্বাহীদের অনেকে।
এমনকি তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার-এ-লাগো রিজোর্টে যেমন গিয়েছেন, তেমনি প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে বসেছেন সামনের সারিতে। কিন্তু প্রেসিডেন্সির প্রথম তিন মাসে ট্রাম্প যেসব নীতি নিয়েছেন, তাতে সেই দাতারাও ব্যবসায়িকভাবে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লোকসান দিচ্ছেন।
“যদিও এর প্রভাব অনুমান করা কঠিন, তবে আমরা বিশ্বাস করি যে কোনও প্রযুক্তি উপখাতই ক্ষতির বাইরে থাকবে না,” বলছে মুডিস রেটিং।”
সিএনএন এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মেটা সিইও মার্ক জাকারবার্গ, অ্যাপল সিইও টিম কুক, গুগল সিইও সুন্দর পিচাই, টেসলা সিইও ইলন মাস্ক ও অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের কোম্পানি এ বছরের শুরু থেকে প্রায় ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজার মূলধন হারিয়েছে।
এই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো ট্রাম্পের মাধ্যমে এমন কিছু নীতি আশা করছিল- যাতে তারা ব্যবসায় সুবিধা নিতে পারে। যেমন অ্যান্টিট্রাস্ট মামলার চাপ কিংবা সরকারি বিধিবিধানের ঝামেলা কমবে বলে তারা আশা করেছিল। রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, মেটা, অ্যাপল, অ্যামাজন, টেসলা এবং ইলন মাস্কের একজন প্রতিনিধির মন্তব্য চেয়েছে, কিন্তু তারা সাড়া দেননি। গুগল এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে নাটকীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন ইলন মাস্ক নিজে, যিনি ট্রাম্পের অন্যতম শীর্ষ সহযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন গত কয়েক মাসে।
অন্যদিকে ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের ৮ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনে অন্তত ২৯০ কোটি ডলারের অনুদান দেওয়া কিংবা সরকারি দক্ষতা বিভাগের দায়িত্ব নিয়েও ইলন মাস্কের সম্পদ ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কমেছে ১৪৩ বিলিয়ন ডলার।
সুত্র: সিএনএন অনলাইন
