ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে আলোচনায় যোগ দিতে সপ্তাহান্তে জার্মানি যাচ্ছে বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ। সেখানে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিচ্ছেন উইটকফ। বার্লিনে তিনি প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তির সর্বশেষ সংস্করণ নিয়ে আলোচনা করবেন।
আসন্ন বড়দিনের আগেই একটি চুক্তি কার্যকর দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সে লক্ষ্যেই বিগত সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। তবে এখনও উল্লেখযোগ্য কোনও অগ্রগতির স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
বার্লিনের আলোচনায় অংশগ্রহণকারী ইউরোপীয় নেতাদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে বৈঠকের বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশকারী দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মারজ এতে অংশ নেবেন।
এদিকে, কিয়েভের মিত্ররা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন আলোচনাগুলো ফলপ্রসূ হয়েছে। শুরুতে পরিকল্পনাকে রাশিয়ার দিকে পক্ষপাতমূলক মনে হলেও, তাতে সংশোধনী আনার ক্ষেত্রে অগ্রগতিরও প্রশংসা করেছে তারা।
তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এমন ইঙ্গিত মিলেছে যে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ও ইউরোপীয় সমর্থকদের প্রতি ট্রাম্পের ধৈর্য কমে আসছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইউরোপীয় নেতাদের “দুর্বল” বলে কটাক্ষ করেন এবং ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।
জেলেনস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রুশ অভিযান শুরুর পর সামরিক আইন জারির কারণে ইউক্রেনে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।
সূত্রঃ বিবিসি
