যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান গুটিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। গতকাল শুক্রবার তিনি এ কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে, ইরানি তেলের ওপর কিছুটা নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এদিকে সৌদি আরব ও ইসরাইলের ওপর ইরান নতুন করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন যে তারা শত্রুপক্ষের ওপর ‘বড় ধরনের আঘাত’ হেনেছেন।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল এ দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। আর তাই মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বৃহৎ সামরিক প্রচেষ্টা গুটিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করছি।’
এই মন্তব্যকে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত শেষ করার সম্ভাবনার এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ও পেন্টাগন পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে এই অভিযান সম্পন্ন করতে প্রায় ৪৬ সপ্তাহ সময় লাগবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তৃতীয় সপ্তাহ চলছে এবং মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী অসাধারণ কাজ করছে।’
অন্যদিকে, বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের আশঙ্কার মধ্যে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে জাহাজে লোড করা ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এই অনুমতির আওতায় ২০ মার্চের আগে জাহাজে লোড করা ইরানি অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত সরবরাহ ও বিক্রি করা যাবে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী মন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, এতে প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে আসবে, যা সরবরাহ বাড়িয়ে সাময়িক চাপ কমাতে সহায়ক হবে।
