
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হে ফিভারে আক্রান্ত হন অনেকে। বিশেষ করে বসন্তে যখন ফুল ফোটে, তখন এর প্রাদুর্ভাব বাড়ে। যাঁদের অ্যালার্জির মাত্রা বেশি, তাঁদের হে ফিভারে ভোগান্তিও বেশি। তবে এ বিষয়ে ভালো ধারণা থাকলে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হে ফিভার প্রতিরোধ করা সম্ভব।
হে ফিভার কী
হে ফিভার শুনলে মনে হয় এটি একধরনের জ্বর। এটি ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’–এর আরেক নাম। হে ফিভারে মূলত ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন উপসর্গ দেখা যায়। যেমন—
১.নাক দিয়ে পানি পড়া
২. নাক বন্ধ
৩. হাঁচি-কাশি
৪. নাক ও গলা চুলকানো
৫. শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে যাওয়া বা লাল হওয়া
৬. ক্লান্তি ও অবসাদ
৭. নাকের শ্লেষ্মা গলায় চলে আসা
Please follow and like us:
