
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, তিনি ইরানকে কোনো কিছু দিচ্ছেন না এবং তাদের সঙ্গে কথাও বলছেন না এবং যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে দেশটির পরমাণু স্থাপনাগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দিয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে এএফপি জানায়, ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘আমি ওবামার মতো ইরানকে কিছুই দিচ্ছি না। আমি তাদের সঙ্গে কোনো কথাও বলছি না। আর আমরা ওদের পরমাণু স্থাপনাগুলো একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছি।’
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়, যখন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিবিসিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ভবিষ্যতে ইরানে আর কোনো হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি না দেয়, তবে দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে না।
এদিকে মাজিদ তাখত-রাভানচি ব্রিটিশ সম্প্রচার মাধ্যমটিকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইঙ্গিত দিয়েছে তারা আবারও আলোচনায় ফিরতে চায়- যা এমন এক সময় জানানো হয়েছে, যখন মার্কিন বাহিনী এক সপ্তাহ আগে ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
আমরা এখনও কোনো তারিখে সম্মত হইনি, এমনকি আলোচনার কাঠামোও ঠিক হয়নি,’ বলেন রাভানচি। ‘আমরা এখনও একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি: আমরা যখন সংলাপে বসব, তখন কি আবারও আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি দেখব না?’
উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রকে খুব স্পষ্ট হতে হবে।’
উল্লেখ্য, দুই দেশ যখন তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ছিল, ঠিক তখনই চলতি মাসে ইসরাইল ইরানের পরমাণু ও সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্র ২১ জুন ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহান- এই তিনটি স্থানে বোমাবর্ষণ করে হামলায় যোগ দেয়।
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাভানচি বিবিসিকে আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে কোনো ‘রেজিম চেঞ্জ’-এর পথে হাঁটতে চায় না।
তিনি বলেন, ইরান এখনও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার রাখে।
