
খেজুর ফ্রুকটোজ ও গ্লুকোজসমৃদ্ধ। খেতে সুস্বাদু, শক্তির ভালো উৎস। রমজান মাস ছাড়াও নিয়মিত খেজুর খান অনেকেই। তবে কেউ কেউ খেজুর পছন্দ করেন না বলে খান না, তাঁদের জন্য কিছু তথ্য।
প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে থাকে
- ক্যালরি ৩০০ কিলোক্যালরি
- শর্করা ৭৫.০৩ গ্রাম
- আমিষ ২.৫ গ্রাম
- চর্বি ০.৩৯ গ্রাম
- খাদ্য আঁশ ৮ গ্রাম
- বিটা-ক্যারোটিন ৬ মাইক্রোগ্রাম
- ভিটামিন এ ১০ আইইউ
- থায়ামিন (বি১) ০.০৫২ মিলিগ্রাম
- রিবোফ্লাভিন (বি২) ০.০৬৬ মিলিগ্রাম
- নায়াসিন (বি৩) ১.২৭৪ মিলিগ্রাম
- প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড (বি৫) ০.৫৮৯ মিলি গ্রাম
- ভিটামিন বি৬ ০.১৬৫ মিলিগ্রাম
- ফোলেট (বি৯) ১৯ মাইক্রোগ্রাম
- ভিটামিন সি ০.৪ মিলিগ্রাম
- ভিটামিন ই ০.০৫ মিলিগ্রাম
- ভিটামিন কে ২.৭ মাইক্রোগ্রাম
- ক্যালসিয়াম ৩৯ মিলিগ্রাম
- লৌহ ১.০২ মিলিগ্রাম
- ম্যাগনেশিয়াম ৪৩ মিলিগ্রাম
- ম্যাংগানিজ ০.২৬২ মিলিগ্রাম
- ফসফরাস ৬২ মিলিগ্রাম
- পটাশিয়াম ৬৫৬ মিলিগ্রাম
- সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম
- জিংক ০.২৯ মিলিগ্রাম

ইফতারে ২-৩টি খেজুর খেলে আপনার শারীরিক দুর্বলতা দূর হবে
সারা দিন রোজা রাখার ফলে রক্তের শর্করা বেশ কমে যায়। ইফতারে কোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার না খেয়ে ২-৩টা খেজুর খেলে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে আবার বাড়বে। তবে খেজুর উচ্চ ক্যালরি-সমৃদ্ধ এবং গ্লাইসেমিক ইনডেক্স একটু বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে। অনেকে বলেন, সকালে খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
Please follow and like us:
