
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা বরাবরই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতে থাকব। এবার সরকারে থাকি আর না থাকি। তিনি আরো বলেন, বিএনপি কখনোই অন্যায়ভাবে অন্যের মতকে চাপিয়ে দেওয়াকে সমর্থন করবে না।
আজ রোববার (৪ মে) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৫ উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি নতুন নয়। আমরা যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করেছি, সেই ষাটের দশক থেকে, তখন থেকে এই বিষয়টি সবচেয়ে সামনে এসেছে। পাকিস্তান শাসকদের বিরুদ্ধে সেই সময়েও আমরা কথা বলেছি, আন্দোলন করেছি, কাজ করেছি। একটি সুবিধা ছিল। তখন সংবাদমাধ্যমের একটি নিজস্ব স্বকীয়তা ছিল। যেখানে তাদের কোনো গোষ্ঠীভুক্ত করা অতটা সহজ হতো না। তাদের দেশপ্রেম, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ অনেক উঁচু দরের ছিল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি নুরুল কবীর। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ মতিউর রহমান চৌধুরী।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, ‘সংবাদ মাধ্যমের একটি গোষ্ঠী এখন আরেক গোষ্ঠীকে আক্রমণ করে। এর সঙ্গে রাজনীবিদরাও জড়ায়। আবার সংবাদ মাধ্যম উড়িয়ে দেওয়া, গুড়িয়ে দেওয়া, মব জাস্টিস করা, সেটাকে আমরা গণতন্ত্র হিসাবে দেখি না। আমাদের চেতনার কেন্দ্র ১৯৭১। এটাই আমাদের মূল ভিত্তি। সংবাদ মাধ্যমগুলো আমার কথা বললে ঠিক আছে, আমার কথা না বললে ঠিক নেই, এই মানসিকতা থেকে বের হতে হবে।’
