
যুক্তরাজ্যর ভিসার জন্য আবেদনকারী অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যের সংখ্যা ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ লাখ ৪১ হাজার থেকে গত মাসে ৯১ হাজারে নেমে এসেছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মী বা কেয়ার ওয়ার্কার ভিসার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯০০ জনে।
সব ধরনের অভিবাসন রোধে গত বছর ভিসা নীতিতে আরও কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাজ্য সরকার। এরপর থেকে গত ১২ মাসে যুক্তরাজ্যে ভিসার জন্য আবেদনকারী বিদেশি কর্মী, শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সংখ্যা এক তৃতীয়াংশ কমেছে।
ইউ. কে হোম অফিসের অস্থায়ী পরিসংখ্যান বলছে, ভিসার জন্য আবেদনকারী অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যের সংখ্যা ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ লাখ ৪১ হাজার থেকে গত মাসে ৯১ হাজারে নেমে এসেছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মী বা কেয়ার ওয়ার্কার ভিসার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯০০ জনে।
যুক্তরাজ্যর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, অভিবাসন এদেশের জন্য অনেক সুবিধা বয়ে এনেছে, তবে এটি অবশ্যই একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ও বিতরণ করতে হবে। ন্যাশনাল কেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের এক্সিকিউটিভ কো-চেয়ারম্যান নাদ্রা আহমেদ বলেন, এই খাতের কিছু কর্মী দেশে ফিরে যেতে বা অভিবাসীদের প্রতি নমনীয় এমন দেশগুলোতে যেতে শুরু করেছে। ২০২২ সালে বৈধ নেট মাইগ্রেশন ৭ লাখ ৬৪ হাজারে পৌঁছালেও ২০২৩ সালে তা ১০ শতাংশ কমে। তবে, অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস সতর্ক করে দিয়েছে যে এটি দীর্ঘস্থায়ী নিম্নমুখী প্রবণতার সূচনা করে কিনা তা এখনও বলা খুব তাড়াতাড়ি হবে।
বিবিসির রেডিও ফোর টুডে প্রোগ্রামে তিনি বলেন, যদি আমাদের দেশীয় কর্মীরা কাজ করতে ইচ্ছুক থাকত তবে বিদেশ থেকে অভিবাসীদের এনে এখানে নিয়োগ দিতে হত না।
সুত্রঃ বিবিসি
