
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে আগামী ৪ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই আগস্টের ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফলে সৃষ্টি নতুন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এটাই দু-দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে প্রথম বৈঠক।
বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক যাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি। সেখানে দুই নেতার মধ্যে বৈঠকের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দিল্লিকে বার্তা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল ঢাকা। বুধবার (২ এপ্রিল) বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই চিঠির প্রতিউত্তর এসেছে দিল্লি থেকে।
এই বিষয়ে ঢাকার একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি। তবে কোন ফরমেটে বা কত সময় এই দুই শীর্ষ নেতা বৈঠক করবেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ডিসেম্বরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। এছাড়া পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন একাধিকবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে জুলাই আগস্টের ছাত্র জনতার আন্দোলনের দেশ থেকে পালিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের আশ্রয় দেবার পর সেখানে থেকে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং উসকানিমুলক বক্তব্য দেওয়ায় ঢাকার উদ্বেগ রয়েছে। অপরদিকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারত বিভিন্ন সময়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক পর্যায়ে এই প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে অবিশ্বাস কমবে বলে বিভিন্ন কূটনৈতিক মহল থেকে ধারনা করা হচ্ছে।
